তৃণমূলের কোথায় ভুল ধরিয়ে দিলেন বিধায়ক তাপস রায়

বেঙ্গল ওয়াচ ডেস্ক ::তৃণমূলের কোথায় ভুল ধরিয়ে দিলেন বিধায়ক তাপস রায়।রবিবার খড়দহের রবীন্দ্র ভবনে তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মিসভার বিস্ফোরক মন্তব্য করে বসলেন তিনি। অন্য দলের বদমায়েশগুলো তৃণমূলে ঢুকেই সমস্যা করে দিয়েছেন বলে তিনি জানান। আর তৃণমূলের অযোগ্যতা হল দলের দরজা তাদের জন্য বন্ধ করতে পারেনি।

তাপস রায়ের কথায়, অন্য দলের বদমায়েশগুলো নিজের মাটি শক্ত করার জন্য আমাদের দলে ঢুকে পড়েছে। অন্য দল থেকে আমাদের দলে ঢুকে পড়া আমরা আটকাতে পারিনি। এটাই আমাদের বড় ভুল। সেই ভুলের খেসারত যে এখন দিতে হচ্ছে, তাও স্পস্ট করে দেন বিধায়ক তাপস রায়।

খড়দহ বিধানসভার অন্তর্গত তৃণমূল কংগ্রেসকর্মীদের নিয়ে কর্মিসভার আয়োজন করা হয়েছিল রবীন্দ্র ভবনে। সেখানে পঞ্চায়েত নির্বাচনে আগে দলত্যাগী নেতা-নেত্রীদের নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন তিনি। তিনি বলেন, নিজের পায়ের মাটি শক্ত করার জন্য অন্য দলের বদমায়েশগুলো আমাদের দলে ঢুকে পড়েছে।

তাপস রায়ের কথায়, অন্য দল থেকে আসা নেতা-নেত্রীরা চায় সরকারি দলের সঙ্গে থাকতে। আর এখন কাজ সিদ্ধ করার জন্য তারা খুঁজেও পেয়ে যায় আমাদের কাউকে কাউকে। তাদের হাত ধরে দলে ঢুকে সমস্যার তৈরি করে দিল। তারা আমাদের দলে ঢুকে নিজেদের কাজ করছে। তারা কি থোড়াই আমাদের কাজ করছে।

তাপস রায় স্বীকার করে নেন, এই জায়গাটা আমরা আটকাতে পারিনি। এই জায়গাটা যদি আমরা আটকাতে পারতাম, তাহলে আজকে আমাদের এই পরিস্থিতি দেখতে হ’ত না। তাপস রায় বলেন, ভুল ত্রুটি কি আমাদের নেই। আমাদেরও আছে ভুল-ত্রুটি। সেগুলো সবাই শুধরে নেবেন।

তাপস রায়ের কথায়, দম্ভ অহংকার ছেড়ে আপনারা জনপ্রতিনিধিরা মানুষের কাছে যান। মানুষের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তুলুন। এই জন্যই আপনাদের দল ক্ষমতা দিয়েছে। জনপ্রতিনিধিদের আরও জনসংযোগের পরামর্শ দেন। মনে রাখতে হবে মানুষই সব। মানুষের জন্যই আমি জনপ্রতিনিধি।

এদিন শুভেন্দু অধিকারী প্রসঙ্গে তাপস রায় বলেন, কদিন আগে বিধানসভায় শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে প্রিভিলেজ আনতে চেয়েছিলাম। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্পিকারকে বলেন ক্ষমা করে দিতে। প্রিভিলেজ আনতে হবে না। কিন্তু ওই প্রিভিলেজ যদি ঠিকমতো আনতে পারতাম বা আনতে দিতেন মুখ্যমন্ত্রী, তাহলে রাহুল গান্ধীর মতো শুভেন্দুরও বিধানসভার সদস্যপদ খারিজ হয়ে যেত।

তাপস রায় বলেন, আমাদের মুখ্যমন্ত্রী জানেন সহবত দেখাতে। তাঁর ক্ষমাশীলতায় শুভেন্দু আদও বিধায়ক রয়েছে, বিরোধী দলনেতা রয়েছেন। কিন্তু কেন্দ্রের সরকার বা আমাদের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী সেই সহবত জানেন না। তাই রাহুল গান্ধীর সদস্যপদ খারিজ করে দিল কেন্দ্রের সরকার।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *