“নো ভোট টু মমতা”: শুভেন্দু অধিকারী

বেঙ্গল ওয়াচ ডেস্ক ::নো ভোট টু মমতা করেই বর্তমান তৃণমূল সরকারকে সরাতে হবে।

 

 

এদিন কলকাতায় এমনটাই মন্তব্য করেছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সরাতে গেলে লক্ষ্য স্থির করতে হবে। নিয়োগ দুর্নীতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ব্রাত্য বসুর নিয়োগ বাম আমলে। তিনিই কাঁচের ঘরে বসে ঢিল ছুঁড়ছেন।

বিরোধী দলনেতা এদিন বিধানসভার বাইরে দাঁড়িয়ে সাংবাদিক সম্মেলন করেন। সেখানে তিনি বলেন, রাজ্যে কংগ্রেস পরীক্ষিত এবং বাতিল। সিপিআইএম পরীক্ষিত এবং বাতিল। আর তৃণমূল পরীক্ষিত, তবে তারা বাতিল হওয়ার পথে। আর বিজেপি রাজ্য পরীক্ষিত নয়। সেই সাধারণ মানুষ বিজেপিকেই বেছে নেবেন বলে দাবি করেন শুভেন্দু অধিকারী।

এদিন শুভেন্দু অধিকারী ফের একবার নো ভোট টু মমতা ডাক দিয়েছেন। তিনি রাজ্যের সমগ্র বিরোধীদের কাছে করা আহ্বানে বলেছেন, দলের ব্যানার সরিয়ে রেখে এই ডাক দিন। সেখানে মানুষই ঠিক করে নেবে কাকে ভোট দেবে। এটাই পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে প্রাসঙ্গিক বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।

শুভেন্দু অধিকারী রাজ্যের বাম-কংগ্রেসকে কটাক্ষ করে বলেছেন, তারা ২০২১-এর বিধানসভা নির্বাচনে নো ভোট টু বিজেপি স্লোগান দিয়েছিলেন। আর একইসঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সরাতে চেয়েছিলেন। মোদীকে নিশানা করেছিলেন তারা। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সরাতে গেলে লক্ষ্য স্থির হতে হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। তিনি বলেন, ২০১১ সালে স্লোগান ছিল নো ভোট টু সিপিআইএম। সেই মতো তৃণমূলকেই বেছে নিয়েছিলেন সাধারণ মানুষ।

বিরোধী দলনেতা বলেছেন, তিনি বাম আমলেই ছাত্র রাজনীতি দিয়ে শুরু করেছিলেন। সেই সময় তিনি কাউন্সিলর হয়েছিলেন এবং বিধায়কও হয়েছিলেন। বাম আমলে প্রাথমিকে এবং স্কুল ও কলেজে অশিক্ষক কর্মী নিয়োগে দলবাজি করলেও চাকরিতে টাকার লেনদেন হয়নি। তিনি বলেন, সেই সময় স্কুলের গ্রুপ সি ও গ্রুপ ডির নিয়োগের দায়িত্ব ছিল ম্যানেজিং কমিটির ওপরে। তখন এসএসসি ছিল না। অন্যদিকে কলেজের নিয়োগ করত গভর্নিং বডি। স্কুলের নিয়োগে পিটিটিআই, বিএডের কোনও বাধ্যবাধকতা সেই সময় ছিল না। সেই কারণে সুযোগ নিতে পেরেছিল বামেরা।

নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে তৃণমূলের পাল্টা আক্রমণ প্রসঙ্গে শুভেন্দু অধিকারী বলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নাটকবাজি করছেন। তিনি বলেন, বাম আমলে মূলত শরিকগের হাতে থাকা দফতর খাদ্য, কৃষি, পূর্ত দফতরে নিয়োগ বাতিল করেছিল হাইকোর্ট। তিনি সূর্যকান্ত মিশ্রের মেয়ের নিয়োগে দুর্নীতির অভিযোগও করেন। তিনি বলেন, ইচ্ছা থাকলে ২০১১ সালে ক্ষমতায় এসেই অভিজ্ঞ লোকেদের দিয়ে কমিশন বসাতে হত।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *