বিজেপি সাংসদের তথ্য ফাঁস করে প্রশ্ন মহুয়া মৈত্রের

বেঙ্গল ওয়াচ ডেস্ক ::বিজেপি সাংসদ নিশিকান্ত দুবেকে ফের একবার তীব্র আক্রমণ শানালেন মহুয়া মৈত্র!

 

 

একেবারে বয়সের সঙ্গে পাওয়া ডিগ্রি তুলে ধরে আক্রমণ তাঁর। শুধু তাই নয়, নিজের বক্তব্যের সাপেক্ষে একটি নথিও তৃণমূল সাংসদ তাঁর সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করেছেন। আর তা শেয়ার করেই মহুয়া মৈত্রের প্রশ্ন, মাত্র ১০ বছর বয়সে হাইস্কুল থেকে কীভাবে পাশ হয়ে গেলেন?

আর তা ঘিরেই শুরু হয়েছে জোর রাজনৈতিক তরজা।

তৃণমূল সাংসদের দাব, বিজেপি সাংসদ নিশিকান্ত দুবের তরফে দেওয়া ফাইল করা হলফনামাতে তাঁর শিক্ষা এবং বয়সের ব্যবধানের ক্ষেত্রে নানারকম দাবি করা হয়েছে। আর সেই সংক্রান্ত তুলে ধরেই তৃণমূল সাংসদের দাবি, মাত্র ১০ বছরে কীভাবে হাইস্কুল থেকে পাশ করা যায়।

টুইট করা বক্তব্যে তিনি লিখছেন, ২০০৯ সালে নথিতে বিজেপি সাংসদের বয়স ৩৭ বছর ছিল। কিন্তু ২০১৮ সালের ফাইলে সেই বয়স ৪২ বছর দেখানো হচ্ছে। তাহলে ১৯৭২ সালে জন্ম। কিন্তু ১৯৮২ সালে আবার মেট্রিক পাশের দাবি করা হচ্ছে। আর তা তুলে ধরেই সাংসদের দাবি, মাত্র ১০ বছরে মেট্রিস পাশ!! আমরা অর্থাৎ নগরবাসীরা বিস্ময়ের সঙ্গে বিষয়টি দেখতে পারি।

এমবিএ ডিগ্রি নিয়ে নিশিকান্ত দুবে এবং মহুয়া মৈত্রের মধ্যে শুরু হয়েছে জোর রাজনৈতিক তরজা। বিজেপি সাংসদের ডিগ্রি নিয়ে প্রশ্ন তৃণমূল সাংসদের। আর এই বিতর্কের মধ্যেই গত সপ্তাহে কারোর নাম না করে নগরবন্ধু শব্দ ব্যবহার করেন বিজেপি সাংসদ নিশিকান্ত। কার্যত তৃণমূল সাংসদের প্রশ্নের জবাব দিতে গিয়েই এহেন শব্দ ব্যবহার করেন বলে অভিযোগ। আর তা নিয়ে বিতর্ক নয়া মোড় নিয়েছে। আর এর মধ্যেই আজ শনিবার নয়া টুইট। যেখানে পালটা ওই শব্দের ব্যবহার করেছেন তৃণমূল সাংসদ।

শুধু তৃণমূলই নয়, নিশিকান্ত দুবেকে আক্রমণ করে একটি স্ক্রিনশট শেয়ার করেছেন কংগ্রেস বিধায়ক দীপিকা সিং। যখনই তাঁর ডিগ্রি নিয়ে প্রশ্ন তুলা হয়েছে সেই সময়েই ওই বিজেপি নেতা ব্লক করে দিয়েছে বলে দাবি করেছেন ওই কংগ্রেস বিধায়িকা। আর এই সমস্ত তথ্য সামনে আসার পর থেকে সোশ্যাল মিডিয়া জুড়ে শুরু হয়েছে জোর চর্চা। নিশিকান্ত দুবের ডিগ্রি এবং বয়স নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় নানা মন্তব্য করা হচ্ছে। যা নিয়ে রীতিমত অস্বস্তি বাড়ছে বিজেপি বিধায়কের।

যদিও এই বিষয়ে একেবারে স্পিকটি নট নিশিকান্ত দুবে। এমনকি বিজেপির তরফেও বার্তা দেওয়া হয়নি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *