সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ কেন্দ্র বিরোধী ১৪ টি দল

বেঙ্গল ওয়াচ ডেস্ক ::কেন্দ্রীয় এজেন্সির অপব্যবহার নিয়ে বারবার সরব হয়েছে বিরোধীরা।

 

এমনকি এই বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে চিঠিও দিয়েছে বিরোধীরা। উদ্দেশ্য প্রণোদিত ভাবে বারবার বিরোধীদের টার্গেট করা হচ্ছে বলে সেখানে স্পষ্ট ভাবে অভিযোগ করা হয়েছে। কিন্তু তাতেও সমধানের রাস্তা বের হয়নি। এই অবস্থায় কেন্দ্রীয় এজেন্সিগুলির অপ-ব্যবহার নিয়ে এবার সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ বিরোধীরা। মোদী বিরোধী অন্তত ১৪ টি দল এই শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

ইতিমধ্যে মামলাটি শীর্ষ আদালত গ্রহণ করেছে বলে জানা গিয়েছে। আগামী পাঁচ এপ্রিল এই সংক্রান্ত মামলার শুনানির দিন চূড়ান্ত করা হয়েছে। প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ের এজলাসে এই সংক্রান্ত মামলার শুনানি হতে পারে বলে জানা গিয়েছে। কেন্দ্রীয় এজেন্সির অপ ব্যবহার নিয়ে আদালত কি বলে এখন সেদিকেই নজর সবার। শুধু তাই নয়, এই বিষয়ে কেন্দ্রের ব্যাখ্যাও খুবই গুরুত্বপূর্ণ হতে চলেছে বলে মনে করা হচ্ছে।

যে ১৪ টি দল এদিন সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে তাঁদের মধ্যে কংগ্রেস, আম আদমি পার্টি, জনতা দল ইউনাইটেড, ভারত রাষ্ট্র সমিতি, রাষ্ট্রীয় জনতা দল, সমাজবাদী পার্টি, ন্যাশানল কনফারেন্স, রাষ্ট্রবাদী কংগ্রেস পার্টি, ডিএমকে এবং শিবসেনা রয়েছে। যদিও এই ১৪ দলে তৃণমূল কংগ্রেস নেই বলেই জানা গিয়েছে। সিবিআই এবং ইডির অপব্যবহার নিয়ে বারাবার সরব হয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এমনকি এই বিষয়ে মোদীকে ভালো বলে অমিত শাহকেও আক্রমণ শানিয়েছেন। শুধু তাই নয়, সংসদেও এই বিষয়ে সরবন হয়েছেন তৃণমূল সাংসদরা। কিন্তু তাৎপর্যপূর্ণ ভাবে এই বিষয়ে বিরোধী জটে থাকল না তৃণমূল।

শীর্ষ আদালতের কাছে এজেন্সিগুলির অপব্যবহার নিয়ে সরব হওয়ার পাশাপাশি আদালতের আকছে একাধিক দাবি জানানো হয়েছে বিরোধী দলের তরফে। বিশেষ করে গ্রেফতারের বিষয়ে আদালত যাতে দিক-নির্দেশ দেয় সেই আবেদন করা হয়েছে। বিরোধীদের দাবি, বিজেপিতে কেউ যোগ দিলেই তাঁর বিরুদ্ধে সমস্ত মামলা বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু কেউ সুর চড়ালেই তাঁর বিরুদ্ধে তদন্তকারী সংস্থাকে ব্যবহার করা হচ্ছে বলে অভিযোগ।

গত কয়েকদিন আগেই এই বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী মোদীকে চিঠি দেন ৯ বিরোধী দল। ওই চিঠিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, কেজরিওয়াল সহ ৯ বিরোধী নেতার সই রয়েছে। সেখানবে স্পষ্ট বলা হয়েছে যে, বিরোধীদের কণ্ঠরোধ করতে কেন্দ্রীয় এজেন্সিকে বেপরোয়া ভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে। ফলে এই বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলা হয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *