ম্যাচ দেখতে গেলেই বিনামূ‌ল্যে ঠান্ডা পানীয়, পপকর্ন

বেঙ্গল ওয়াচ নিউজ ডেক্স :বিশ্বকাপের ম্যাচ আয়োজনে একের পর এক চমক দিচ্ছে বিসিসিআই। ভারতের ১০টি ভেন্যুতে হচ্ছে বিশ্বকাপের ম্যাচ। আয়োজনের দিক থেকে রাজ্য সংস্থা গুলির মধ্যেও চলছে তীব্র প্রতিযোগিতা। আগামী ২৯ অক্টোবর ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ম্যাচে রয়েছে লখনউতে। ভারতীয় দলের পরের ম্যাচে আছে ২ নভেম্বর মুম্বইয়ে শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে। ম্যাচটি হবে ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে।

ভারত-শ্রীলঙ্কা ম্যাচে দর্শকদের জন্য বিশেষ উদ্যোগ নিল মুম্বই ক্রিকেট সংস্থা। দর্শক স্বাচ্ছন্দ্যের কথা মাথায় রেখে প্রতিটি স্টেডিয়ামেই থাকছে বিশেষ ব্যবস্থা। কিন্তু ভারতের ম্যাচ বাদ দিলে অন্য দলগুলির খেলায় খুব একটা গ্যালারি পূর্ণ হচ্ছে না। এমনকি পুণেতে ভারত বাংলাদেশ ম্যাচেও পুরো স্টেডিয়াম ভর্তি হয়নি।তাই দর্শকদের আরও বেশি মাঠমুখো করতে বিশেষ ব্যবস্থা নিল এমসিএ।

চলতি বিশ্বকাপে চিপক, নরেন্দ্র মোদী স্টেডিয়ামের মতো মাঠে দর্শকদের জন্য বিনা খরচায় বিশুদ্ধ পানীয় জলের ব্যবস্থা ছিল। এবার একধাপ এগিয়ে গিয়ে ওয়াংখেড়ে থাকছে পপকর্ন, কোল্ড ড্রিঙ্কসের বন্দোবস্ত। তাও আবারও সম্পূর্ণ বিনামূল্যে। গ্যালারিতে বসলেই দর্শকরা পাবেন ঠান্ডা পানীয় এবং পপকর্ন।

২ নভেম্বর ভারত বনাম শ্রীলঙ্কার পরে মুম্বইয়ের এই মাঠেই অস্ট্রেলিয়া এবং আফগানিস্তান একে অপরের মুখোমুখি হবে। ১৫ নভেম্বর বিশ্বকাপের প্রথম সেমিফাইনাল ম্যাচও খেলা হবে এই মাঠেই। সব ম্যাচেই দর্শকদের জন্য থাকছে এই বিশেষ ব্যবস্থা।

মুম্বই ক্রিকেট সংস্থার সভাপতি অমল কালে এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, দর্শকরা নির্দিষ্ট কাউন্টারে নিজেদের টিকিট দেখালেই পেয়ে যাবেন পপকর্ন, ঠান্ডা পানীয়। ভারত বনাম শ্রীলঙ্কা ম্যাচ তো বটেই, বিশ্বকাপের সেমিফাইনালেও এই পরিষেবা উপলব্ধ থাকবে।
২০১১ সালের বিশ্বকাপ ফাইনালে ভেন্যু ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে। এবার ইতিমধ্যেই এই মাঠে বেশ কয়েকটি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়েছে। তবে প্রধান দুটি ম্যাচই বাকি। এরমধ্যে আছে সেমিফাইনাল এবং গ্রুপ পর্বে ভারত শ্রীলঙ্কা ম্যাচ। ২০১১ সালে বিশ্বকাপ ফাইনাবলে ভারত শ্রীলঙ্কা মুখোমুখি হয়েছিল। আবারও সেই একইদল একই ভেন্যুতে মুখোমুখি হচ্ছে। তবে এবার গ্রুপ পর্যায়ে।

এই ম্যাচের আগে থাকছে আরও বড় চমক। আগামী ২ নভেম্বর শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে বিশ্বকাপের প্রাক্কালে সচিন তেন্ডুলকরের মূর্তিটি উদ্বোধন করা হবে। সেই অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন স্বয়ং সচিন এবং আরও কয়েকজন বিশিষ্ট ব্যক্তি এছাড়া ভারতীয় দলের সদস্যরাও এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে পারেন বলে মনে করা হচ্ছে।
চলতি বছরই জীবনের খাতায় হাফসেঞ্চুরি পূর্ণ করেছেন সচিন। তাঁকে সম্মান জানাতেই এই উদ্যোগ নিয়েছে এমসিএ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *