চাল-ডাল-চিনি নিয়ে বড় পদক্ষেপ মোদী সরকারের

 

 

বেঙ্গল ওয়াচ নিউজ ডেক্স :উৎসবের মরশুমে মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে বড় ধরনের প্রস্তুতি নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকার। এই প্রস্তুতির ওপরে নির্ভর করে দশের পার হয়ে গিয়েছে। বেশ কিছু তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যেখানে দশেরার মতো দীপাবলিতেও খাবারের দাম বৃদ্ধি ঠেকানো যায়।

সরকারের বড় পদক্ষেপের মধ্যে রয়েছে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত চিনির ওপরে নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ বাড়িয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। সরকার আশা করছে, এই সিদ্ধান্তের জেরে উৎসবের মরশুমের বাকি সময়টুকুতেও চিনির সরবরাহে কোনও প্রভাব পড়বে না। যে কারণে দামও নিয়ন্ত্রণে রাখা যাবে।

দেশের মধ্যে চিনির পর্যাপ্ত প্রাপ্যতা নিশ্চিত করতে, প্রথমে ২০২৩-এর ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত চিনি রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়। পরে জানানো হয়, ৩১ অক্টোবর থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত চিনির রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা বলবত থাকবে।

সাধারণভাবে দেখা গিয়েছে উৎসবের মরশুমে দেশের সর্বাধিক চিনি খাওয়া হয়। এই সময় বিভিন্ন ধরনের মিষ্টি তৈরি করা হয় এবং খাওয়া হয়। এছাড়াও উপহার হিসেবেও মিষ্টি দেওয়া কিংবা পাঠানো হয়। যে কারণে উৎসবের মরশুমে চিনির চাহিদা বাড়ে। সেই পরিস্থিতিতে যদি চিনির সরবরাহ ব্যাহত হয়, তাহলে তার দামও বৃদ্ধি পায়। সেই পরিস্থিতিতে সরকার পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।

অন্যদিকে ডালের বাজারেও যেন আগুন লেগেছে। কোনও কোনও ডালের দাম এক বছরে ৪৫ শতাংশ পর্যন্ত বেড়েছে। গরিব মানুষের পাত থেকে অড়হর ডাল উধাও হয়ে গিয়েছে। অড়হর ডালের বর্তমান বাজার দর কেজি পিছু ১৮০ থেকে ২০০ টাকা। একইভাবে মসুর ডালের দামও বেড়েছে। সেই পরিস্থিতিতে কেন্দ্রীয় সরকার ডালের ক্রমবর্ধমান দাম নিয়ন্ত্রণে বেশ কিছু পদক্ষেপ নিয়েছে।

একদিকে যেমন অড়হর ডালের ওপর থেকে আমদানি শুল্ক প্রত্যাহার করা হয়েছে, অন্যদিকে এপ্রিল থেকে জুলাইয়ের মধ্যে ১.৭২ লক্ষ টন কবুতর মটর আমদানি করা হয়েছে। গত বছর এই একই সময়ে ৮৩, ৭৪২ টন অড়হর ডাল আমদানি করা হয়েছিল। সেই পরিস্থিতিতে এবার কবুতর মটরের আমদানি হয়েছে দ্বিগুণেরও বেশি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *