৭ দিন ধরে টানেলে আটকে শ্রমিকরা!

 

 

নিজস্ব প্রতিবেদক : সাত দিনে পড়ল উদ্ধারকাজ। গত রবিবার উত্তরকাশীর টানেলে আটকে পড়েছিলেন ৪০ জন শ্রমিক। এখনও তাঁদের উদ্ধারকরা সম্ভব হয়নি। বিশেষ ড্রিলিং মেশিন নিয়ে আসা হয়েছে। কিন্তু গতকাল রাতে হঠাৎই বিকট শব্দ হওয়ায় বন্ধ করে দিতে হয় উদ্ধারকাজ।

পাইপলাইনের মাধ্যমে তাঁদের জল, খাবার, ওষুধ এবং অক্সিজেন পাঠানো হচ্ছে। উদ্ধারকারী দলের দাবি মানসিক ভাবে এখনও শক্ত রয়েছেন ৪০ জন শ্রমিক। তাঁদের সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করা হচ্ছে। গতকাল দুপুর তিনটে নাগাদ হঠাৎ করে টানেলের ভিতরে ফাটল ধরার বিকট শব্দ হয়। তারপরেই ড্রিলিং বন্ধ করে দিতে হয়।

দীপাবলির দিন দুপুরে ঘটে দুর্ঘটনা। উত্তরকাশীর সিল্কিয়ারা টানেলের ভেতরে প্রায় সাড়ে চার কিলোমিটার ভেতরে আটকে পড়েন ৪০ জন শ্রমিক। টানেলের খননের কাজ করার সময় হঠাৎই ধস নেমে আটকে যায় টানেলের মুখ। সেইদিন থেকে আজ শনিবার পর্যন্ত টানেলের ভেতরেই আটকে রয়েছে ৪০ জন শ্রমিক। তাঁদের উদ্ধারে প্রথমে স্থানীয় ড্রিলিং মেশিন ব্যবহার করা হচ্ছিল। পরে দিল্লি থেকে বিশেষ ড্রিলিং মেশিন নিয়ে আসা হয়।

শ্রমিকদের বাঁচিয়ে রাখতে পাইপ লাইনের মাধ্যমে পাঠানো হচ্ছিল খাবার এবং জল। গত কয়েকদিন ধরে তাঁদের ওষুধও পাঠানো হচ্ছে। এই ৪০ জন শ্রমিকের মধ্যে বাংলার ৩ শ্রমিকও রয়েছেন। গতকাল উদ্ধারকাজ চালানোর সময় হঠাৎ করে বিকট শব্দ শোনা গিয়েছিল। তারপরে নতুন করে ধসের আশঙ্কায় বন্ধ করে দেওয়া হয় ড্রিলিং মেশিন। এখনও ৬০ মিটার ড্রিল করা হলে তবে শ্রমিকদের কাছে পৌঁছনো যাবে।

পুরো ধস সরানো না গেলেও পাইপের মাধ্যমে তাঁদের বের করে আনার চেষ্টা করা হচ্ছে। ৯০০ মিলিমিটার ব্যাসার্ধের পাইপ ভেতরে ঢোকানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। এখনও পর্যন্ত চারটে পাইপ ভেতরে প্রবেশ করানো গিয়েছে। পাঁচনম্বর পাইপটি ভেতরে প্রবেশ করানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *