বড়দিনের দিন বিমান হামলা গাজায় মৃত্যু ৭০ জনের…..

সারা বিশ্বে বড়দিনের উত্‍সব পালিত হচ্ছে। সেই সময় তীব্র ইজরায়েল ও হামাসের মধ্যে যুদ্ধ। এদিন সকালে গাজায় বড় ধরনের বিমান হামলা চালায় ইজরায়েল। সেই হামলায় কমপক্ষে ৭০ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে।ইজরায়েলের এই হামলাকে গণহত্যা বলে বর্ণনা করেছেন ফিলিস্তিতি স্বাস্থ্যমন্ত্রকের মুখপাত্র।

তাঁদের দাবি আল-মাগাজি শরণার্থী শিবিরে এই হামলা চালানো হয়েছে। ইজরায়েলি হামলা নিয়ে ফ্রিডম থিয়েটার জানিয়েছে, অধিকৃত পশ্চিম তীরের জেনিন শরণার্থী শিবিরে ইজরায়েল হামলা চালায়। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

এক্স হ্যান্ডেলে তারা বলেছে, বড়দিনের দিন জেনিন শরণার্থী শিবিরে আরেকটি আক্রমণ হয়। প্রসঙ্গত গত ১৩ ডিসেম্বর ফ্রিডম থিয়েটারের প্রয়োজক মোস্তাফা শেতাকে গ্রেফতার করেছিল ইজরায়েলের বাহিনী। তারপর থেকে তিনি ইজরায়েলের হেফাজতে রয়েছেন।

হামাস জঙ্গি গোষ্ঠী দাবি করেছে, তারা বেশ কিছু ফিলিস্তিনিকে গ্রেফতার করেছে, যারা গাজা উপত্যকায় ইজরায়েলের গোয়েন্দা সংস্থা শিনবেটের জন্য কাজ করছিল এবং হামাসের শীর্ষ নেতাদের অবস্থান সম্পর্কে তথ্য সরবরাহ করছিল।

এদিকে ফিলিস্তিনিরা বলেছে, তারা এই ক্রিসমাসে কোনও আনন্দ অনুভব করছে না। অধিকৃত পশ্চিম তীরের শহর বেথলেহেমে উত্‍সব কার্যকরভাবে বাতিল করা হয়েছে। এই শহর যীশু খ্রিস্টের জন্মস্থান। এই সময় রাস্তাঘাট থাকে ভরা। সারা বিশ্বের বিভিন্ন জায়গা থেকে যান পর্যটকরা।

রবিবার রাতে সেন্ট পিটারস ব্যাসিলিকায় ক্রিসমাস উদযা়পন শুরু করার সময় পোপ ফ্রান্সিস শান্তির আবেদন করেন। তিনি বলেছেন, এদিন রাতে হৃদয় রয়েছে বেথলেহেমে। ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু রবিবার সন্ধেয় সারা বিশ্বের খ্রিস্টানদের উদ্দেশে বড়দিনের বার্তা প্রকাশ করে সব মানুষের জন্য শুভকামনা জানিয়েছেন। তারা দানবের মুখোমুখি বলেও মন্তব্য করেছেন নেতানিয়াহু।

সাত অক্টোবর হামাসের সঙ্গে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে ইজরায়েলের শহর এসডেরট ছেড়ে চলে গিয়েছেন বাসিন্দারা। সেই সময় এই শহরে হামাসের হামলায় অন্তত ৪০ জনের মৃত্যু হয়। সেই শহরেই জীবন ফিরিয়ে আনার আশা করছে ইহুদি সেমিনারি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *