১০০ দিনের কাজের টাকা নিয়ে রাজ্যপালকে সওয়াল দুর্গতদের

বেঙ্গল ওয়াচ নিউজ ডেস্ক ::

 

 

 

 

উত্তরবঙ্গে বন্যা দুর্গত এলাকা পরিদর্শনে গিয়েছেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। এদিকে আজই কৃষিভবনের হেনস্থার প্রতিবাদে রাজভবন চলোর ডাক দিয়েছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু রাজ্যপাল রাজভবন ছেড়ে ভয়ে পালিয়ে গিয়েছেন বলে কটাক্ষ করেেছ তৃণমূল কংগ্রেস।

দিল্লি থেকে আজ সোজা উত্তরবঙ্গে চলে যান রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। সেখানে বন্যা দুর্গত এলাকা পরিদর্শন করেছেন তিনি। দুর্গতদের মিষ্টি এবং হাজার টাকা করে দিয়েছেন রাজ্যপাল। তিস্তা বাজার এলাকা পরিদর্শন করেছেন তিনি। সেখান থেকেই তিনি তৃণমূল কংগ্রেসকে পাল্টা জবাব দিয়েছেন।

রাজ্যপাল বলেছেন পালিয়ে এসেছি তবে দিল্লি থেকে। দিল্লি থেকে সফর কাটছাঁট করে উত্তরবঙ্গের দুর্গত এলাকা পরিদর্শনে এসেছেন তিনি। তাঁদের পাশে দাঁড়িয়েছেন। তৃণমূল কংগ্রেস চাইলে প্রতিনিধি দল পাঠিয়ে উত্তরবঙ্গে তাঁর সঙ্গে দেখা করতে পারে। তিনি প্রতিনিধি দলের সঙ্গে দেখা করবেন বলে জানিেয়ছেন।

রাজ্যপালের এই মন্তব্যের পর শাসক দল পাল্টা কটাক্ষ করে বলেছেন তিনি জমিদারি মনে করছেন। এই ধরনের কথা জমিদারি মানসিকতার নিদর্শন। সেকারণে তিনি এই ধরনের কথা বলছেন। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় দিল্লি থেকে বার্তা দিয়েছিলেন যে চিঠি তাঁরা দিল্লিকে কৃষি ভবনে দিতে এসেছিলেন সেই িচঠি তাঁরা রাজভবনে দিতে চান। এক লক্ষ লোক নিয়ে আজ অর্থাৎ ৫ তারিখ রাজভবন চলোর ডাক দিয়েছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।

এদিকে আবার সেচমন্ত্রী রাজ্যপালকে কটাক্ষ করে পর্যটক বলেছেন। পাল্টা রাজ্যপাল আবার বার্তা দিয়েছেন তিনি পর্যটকই তবে দুর্গতদের পাশে দাঁড়াতে এসেছেন। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় আবার কটাক্ষ করে বলেছেন তিনি কেন্দ্রের প্রতিনিধি, তাই তাঁর হাতে দুর্গতদের চিঠি পৌঁছে দেওয়া হবে।
এদিকে আবার উত্তরবঙ্গে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শনে গিয়ে ১০০ দিনের কাজের টাকার দাবি শুনতে হয়েছে রাজ্যপালকে। সেখানকার একাধিক মানুষ রাজ্যপালকে অভিযোগ করেছেন তাঁদের কেন ১০০ দিনের কাজের টাকা দেওয়া হচ্ছে না। রাজ্যপাল তাঁদের অভিযোগ শুনেছেন এবং দুই সরকারের সঙ্গে কথা বলে সমস্যা সমাধানের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তিনি। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য রাজ্যপাল মুখ্যসচিবের কাছে বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে রিপোর্ট চেয়ে পাঠিয়েছিলেন। সেই রিপোর্ট তাঁকে আগেই পাঠিয়ে দিয়েছিলেন মুখ্যসচিব।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *