“পরের বছর এই চোরেরা বাংলায় থাকবে না”: শুভেন্দু অধিকারী

বেঙ্গল ওয়াচ নিউজ ডেস্ক ::

 

 

 

সামনের বছর আর কোনও চোর থাকবে না রাজ্যে। পরের বছর নন্দীগ্রামে শহিদ দিবস পালনের সময়ে এই চোরেরা বাংলায় থাকবে না। নন্দীগ্রাম দিবসের দিনে বড় ঘোষণা করলেন শুভেন্দু অধিকারী। ১০ নভেম্বর নিয়ে বেশ কয়েক বছর ধরেই রাজ্য রাজনীতিতে দড়ি টানাটানি চলছে।

বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর আলাদা করে শুভেন্দু অধিকারী নন্দীগ্রাম দিবস পালন করেন। তৃণমূল কংগ্রেসও একই জায়গায় নন্দীগ্রাম দিবস পালন করে। গতবার এই প্রসঙ্গে হাইকোর্ট অবধি জল গড়ায়। এবার দুটি আলাদা সময়ে বিজেপি ও তৃণমূল নন্দীগ্রামের শহিদ বেদিতে শ্রদ্ধার্ঘ্য নিবেদন করল।

এদিন শুভেন্দু অধিকারী রীতিমতো আক্রমণাত্মক ছিলেন। গোকুলনগরের শহিদ বেদিতে মাল্যদান করেন তিনি। তারপরেই তৃণমূল নেতাদের প্রতি আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠেন। শুভেন্দু বলেন, পরের বছর যখন শহিদ দিবস পালন হবে, তখন এই চোরেরা বাংলায় থাকবে না। তাহলে কি সামনের বছর তৃণমূল সরকার পড়ে যেতে পারে? সেই ইঙ্গিত আগাম দিয়ে রাখলেন শুভেন্দু?

আগামী লোকসভা ভোটে নরেন্দ্র মোদী জিতে দেশের প্রধানমন্ত্রী হবেন। শুধু তাই নয়, নন্দীগ্রাম এলাকা থেকে প্রচুর ভোটে বিজেপি জিতবে। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় থেকে কালীঘাটের কাকু হয়ে নওশাদ সিদ্দিকী। একাধিক বিষয়ে আক্রমণ করেছেন শুভেন্দু।

নওশাদ সিদ্দিকীকে দরাজ হাতে সার্টিফিকেট দিচ্ছেন শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, আমি ওদের আদর্শের বিরোধী। আমরা ওদের হারিয়েছি। নওশাদ মিথ্যে মামলায় ৩৯ দিন জেল খেটেছে। মুকুল রায়দের মতো আত্মসমর্পণ করার ছেলে ও না। ওর ব্যাক্তিগত এবং রাজনৈতিক চরিত্র দেখে আমি বলছি।

কালীঘাটের কাকু সম্পর্কে আক্রমণাত্মক শুভেন্দু। তার কথায়, চুলের মুঠি ধরে ভাইপোর কাকুকে এইমসএ নিয়ে যাওয়া উচিত। সৌগত রায়কে খোঁচা দিতেও ছাড়েননি রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। সৌগত রায়ের সোডিয়াম – পটাশিয়ামের গণ্ডগোল আছে। আর মদন মিত্র রেজিস্টার্ড মাতাল। ২০২১ সালের ভোটের আগে নন্দীগ্রামে এসে চ্যালেঞ্জ করে বলেছিল, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় হারলে হাতের পাঞ্জা কেটে বাদ দেবে। এখনও কাটেনি।

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সম্পর্কে শুভেন্দুর খোঁচা, ৬০০০ পাতার নথি জমা করতে হয়েছে। ডাকলে আবার যাব। মানে কি? আওয়াজ তো বন্ধ হয়ে গিয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *