পার্থকে ডেকে উঠলেন জ্যোতিপ্রিয়!

বেঙ্গল ওয়াচ নিউজ ডেস্ক ::

 

 

 

 

পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের সম্পর্ক অনেকদিনের। রাজনৈতিক জীবনের অনেকটা অধ্যায় কেটেছে একসঙ্গে। এবার জেল জীবনেও একইসঙ্গে এক ওয়ার্ডে থাকা শুরু হল দুজনের। প্রেসিডেন্সি জেলে গত এক বছরের বেশি সময় ধরে রয়েছেন রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী।এবার জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকও সেখানে হাজির হলেন।

প্রেসিডেন্সি জেলের পহেলা বাইশ নম্বর ওয়ার্ডে ঠাঁই হয়েছে জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের। রাজ্যের বনমন্ত্রীকে আপাতত ১৬ তারিখ পর্যন্ত এখানেই থাকতে হবে। তবে জেল জীবনের মেয়াদকাল আরও বাড়বে। এমন ইঙ্গিত করছে রাজনৈতিক মহল। পহেলা বাইশ নম্বর ওয়ার্ডে জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক কতদিন থাকবেন? সেই প্রশ্ন থাকছেই।

এই নিয়ে চারজন বিধায়ক পহেলা বাইশ ওয়ার্ডের বাসিন্দা হলেন। প্রথমে পার্থ চট্টোপাধ্যায় প্রেসিডেন্সি জেলে হাজির হয়েছিলেন। এরপর নদিয়ার নাকাশিপাড়ার বিধায়ক মানিক ভট্টাচার্য আসেন সেখানে। এরপর মুর্শিদাবাদের বিধায়ক জীবনকৃষ্ণ সাহা গ্রেফতার হয়ে প্রেসিডেন্সি জেলে ঠাঁই নেন। এই তিন বিধায়ক শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতিতে গ্রেফতার হয়ে জেলবন্দি।

এবার রাজ্যের প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক প্রেসিডেন্সি জেলে গ্রেফতার হয়ে এলেন। পহেলা বাইশ নম্বর ওয়ার্ডে ২২ টি আলাদা সেল রয়েছে। ব্রিটিশ আমলে এই ওয়ার্ড তৈরি হয়েছিল। যারা গুরুত্বপূর্ণ বন্দি, তাদের বিশেষ ব্যবস্থায় রাখা হয় এখানে। ব্রিটিশ আমলের সেই নিয়ম এখনও চলছে। প্রায় একই নিয়ম এখানে চলছে।
দু’নম্বর সেলে রয়েছেন রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। ৭ নম্বর সেলে ঠাঁই হল জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের। জানা গিয়েছে জ্যোতিপ্রিয়ের সঙ্গে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের দেখা হয়েছে। জ্যোতিপ্রিয় নিজেই পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের সেলের সামনে গিয়েছিলেন। মানিক ভট্টাচার্য ও জীবনকৃষ্ণ সাহার সঙ্গেও প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রীর দেখা হয়েছে বলে খবর।

এছাড়াও একাধিক বন্দি রয়েছেন এই ওয়ার্ডে। বিধায়করা একে একে এই ওয়ার্ডে বন্দি জীবন কাটাচ্ছেন। কারারক্ষীদের মধ্যে এই বিষয়েও চর্চা চলছে। প্রেসিডেন্সি সংশোধনাগারে এই ওয়ার্ডকে এমএলএ ওয়ার্ল্ড বলেও কটাক্ষ করছেন অনেকেই। জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক যাতে কোনও সমস্যায় না পড়েন, সেদিকে নজর রাখা হচ্ছে।

একসময় পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে ঘিরে কিছু কটুক্তি সামনে এসেছিল। অন্যান্য বন্দিরা পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে নিয়ে টিটকিরি, মশকরা করতেন।জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের বেলায় সেই সব যেন না হয়। সেদিকে বিশেষ নজর দিচ্ছে প্রেসিডেন্সি জেল কর্তৃপক্ষ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *