আদালত অবমাননার দায়ে আবার অভিযুক্ত পর্ষদ সভাপতি গৌতম পাল

বেঙ্গল ওয়াচ নিউজ ডেস্ক ::

 

 

 

কথায় বলে, যাদের শিক্ষা হওয়ার নয়, তাদের শিক্ষা কোনো দিন হবে না। আমাদের প্রাইমারী পর্ষদ সভাপতির অবস্থা অনেকটা তাই। ঘটনার সূত্রপাত জুলাই মাসে। পাঁচ মাস কাটতে না কাটতে সেই ঘটনার পুনরাবৃত্তি। পল্লব বারিক নামে এক চাকরিপ্রার্থী ২০১৪ সালে প্রাথমিক টেটে বসেছিলেন। তাঁর আইনজীবী দিব্যেন্দু চট্টোপাধ্যায় জানান, প্রথমে পল্লববাবুকে জানানো হয় তিনি টেট পাশ করতে পারেননি। পরে জানা যায় পল্লববাবু ৯২ শতাংশ নম্বর পেয়ে টেট পাশ করেছে। এর পর চাকরির দাবিতে আদালতের দ্বারস্থ হন তিনি। আদালত তাঁকে ইন্টারভিউতে বসতে দিতে হবে বলে নির্দেশ দেয়। শুক্রবার আদালতে মামলাটি উঠলে মামলাকারীর আইনজীবী জানান, ২ মাস কাটলেও ওই প্রার্থীকে ইন্টারভিউতে বসতে দেওয়া হয়নি। একথা শুনে ক্ষুব্ধ হন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়। তিনি বলেন, ‘’ইচ্ছা করেই কি আদালতের নির্দেশ কার্যকর করেনি পর্ষদ। ৪ ঘণ্টার মধ্যে আদালতের নির্দেশ কার্যকর করতে হবে পর্ষদকে।” অভিজিৎ গাঙ্গুলি আইনের দীর্ঘ সময়ের বিষয়টা কাটিয়ে দ্রুত সিদ্ধান্তে আসতে চাইছেন।

প্রসঙ্গত স্মরণীয়, জুলাই মাসে যখন এই কেসটি তিনি শোনেন তখন পর্ষদের পক্ষ থেকে বলা হয় তারা ওই কেস নিয়ে ডিভিশন বেঞ্চে গেছে। কিন্তু তার কোনো নথি দেখাতে না পারায় জাস্টিস গাঙ্গুলি এর জেরে সেই দিনই আদালতে পর্ষদ সভাপতি গৌতম পালকে তলব করেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়। গৌতমবাবু আদালতে হাজিরা দিলে বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, ‘আমি আপনার বেতন বন্ধ করে দিচ্ছি। সঙ্গে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা।’ শুনে আদালতেই কার্যত ভেঙে পড়েন গৌতমবাবু। বিচারপতিকে অনেক কাকুতি মিনতি করে সেবারের মতো নিষ্কৃতি পান তিনি। ফের একই অভিযোগ উঠল তাঁর বিরুদ্ধে। তিনি বলে ৪ ঘন্টার মধ্যে যদি নির্দেশ কার্যকরি না হয় তাহলে গৌতম পালের বিরুদ্ধে আদালত অবমানার অভিযোগ আনা হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *