শব্দ বাজির হাত থেকে বাঁচাতে হবে পোষ্যদের

বেঙ্গল ওয়াচ নিউজ ডেস্ক ::

 

 

 

আইন করে কয়েক বছর শব্দ বাজির হাত থেকে কিছুটা রেহাই পেয়েছিল বাংলার মানুষ। কিন্তু এবার ৯০ থেকে আবার ১২৫ ডিসিবেল হয়েছে। ফলে আবার সমস্যা বাড়বে কিছু মানুষ ও প্রাণীকুলের। মানুষেরা তো তবু নিজেদের মতো করে সাবধানতা নিতে পারে। কিন্তু পোষ্য প্রাণীরা?
শুধু ভয়ে কাঁপে। কুঁকড়ে যায়। যাঁদের বাড়িতে পোষ্য রয়েছে তাঁরা নিশ্চয় প্রতিবছর এই দিনটায় এমন পরিস্থিতির সঙ্গে পরিচিত? ৯০ ডেসিবেল থেকে ১২৫ ডেসিবেল শব্দ পর্যন্ত এবার ফাটানো যাবে বাজি। অনেকে হয়ত প্ল্যানও করেছেন এবার কী কী রাখবেন বাজি কেনার তালিকায়! তবে এর জেরে আর চারপাশের অবস্থা কী হতে পারে তার ধারনা রয়েছে?

এই শব্দ বাজির জন্য প্রতিবছরই নানা বিধি নিষেধ থাকে। এখন তো প্রায় সকলেই জানেন শব্দ বাজির জন্য হার্টের রোগী, শিশু, পোষ্যদের কী সমস্যা হয়।

এই বছর থেকে হয়ত আরও বাড়বে ফলে গৃহপালিত পশুদের শারীরিক অবস্থা যে আরও ভয়াবহ হতে চলেছে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। চিকিৎসক চন্দ্রকান্ত চক্রবর্তী বলেছেন, “এটা তো ম্যান মেইড অত্যাচার ওদের জন্য। কালী পুজোর সময় রাস্তার সারমেয়রা ভয়ে রীতিমতো লুকিয়ে পড়েন। যাঁদের বাড়িতে পোষ্য রয়েছে তাঁরা ভয় পায়। ওদের নার্ভ ফেল করে। খুব সমস্যা হয়। এখনও যদি আমরা ওদের বিষয়ে না ভাবি কবে ভাবব?” আমাদের চারিদিকে ছড়িয়ে থাকা সমস্ত পশুপ্রেমী সংস্থা এই শব্দবাজি নিয়ে তীব্র আপত্তি জানিয়েছে। কিন্তু এটা তো এবার আদালতের রায়। তাই এই পরিস্থিতিতেই কিভাবে পোষ্যদের সাবধানে রাখবেন, সেই বিষয়ে পরামর্শ দিয়েছেন
চিকিৎসক চন্দ্রকান্ত চক্রবর্তী। তিনি বলেছেন, ” ওদের এই সময় এঙজাইটি হতে পারে। তাই পোষ্যদের ক্রেশে রাখা যেতে পারে। ওদের সঙ্গে থাকতে হবে। প্রয়োজনে হালকা মিউজিক চালিয়ে রাখতে হবে। ওই দিনগুলো ওদের সঙ্গে থাকতে হবে।” আর সকলের পরামর্শ, পথ কুকুর বা বিড়ালদের লক্ষ করে কখনো বাজি ফাটাবেন না।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *