আমরা ইনসাফ চাই -জয়নগরের সভা থেকে বললেন ফিরহাদ হাকিম

 

বেঙ্গল ওয়াচ নিউজ ডেক্স :আপনাদের  সকলের নিশ্চই মনে আছে। মাত্র ১৪ দিন আগের ঘটনা। জয় নগরে খুন হন তৃণমূল পঞ্চায়েতের নেতা সইফুদ্দিন লস্কর। তারপরে ১৪ দিন পরে মন্ত্রীমশাই রবিবার বিকেলে গেলেন সইফুদ্দিনে বাড়িয়ে ও সন্ধ্যায় বাড়ির পাশেই বড়ো মাঠে জনসভা করে সিপিএককে একহাত নিয়ে বললেন, “সুজনবাবু আমরা কি গরু ছাগলের বাচ্চা? সইফুদ্দিনের মতো প্রাণ শেষ করে দেবে আমরা হাতে চুড়ি পড়ে বসে থাকব না। কঠোরতম শাস্তি চাই। আপনারা মমতা বন্দোপাধ্যায়ের উপর ভরসা রাখুন।” এখানেই উঠেছে একাধিক প্রশ্ন?

 

সইফুদ্দিনকে কে বা কারা খুন করলো? খুনের পরে যাকে একজন খুনিকে পিটিয়ে খুন করা হলো তিনি কোন দলের? আরো এক জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ – তিনিই বা কোন দলের? খুবনের পরে ওই গ্রাম থেকে অন্তত ৪ কিলোমিটার দূরে একটি পাড়ার ৮/১০ বাড়িতে আগুন দেওয়া হলো কেন? আগুন দেওয়ার সময় কেন দমকলের গাড়িকে ঢুকতে দেওয়া হলো না? এমন প্রশ্নর উত্তরের খোঁজ করলে মনে হবে, হত্যাটি শাসকদলের গোষ্ঠী দ্বন্দ্ব আর ওই গ্রামের বাড়ি জ্বালিয়ে দেওয়া পূর্ব পরিকল্পিত।

 

এবার ফিরাদ হাকিমের হুমকির উত্তরে সুজনবাবু বলে, ববি হাকিম ১৪ দিন পর জয়নগরে গিয়েছেন। মাঝে আর সময় পাননি। উনি বলেছেন প্রকৃত অপরাধীদের শাস্তি চান। ঠিকই তো প্রকৃত অপরাধীদেরই তো শাস্তি হওয়া উচিত। অপরাধীদের আড়াল করে অন্য়ের ঘাড়ে ফেলে দেওয়ার যে খেলা চলছে, এটা বন্ধ করতে হবে।” আর বিজেপি নেতা শমীক ভট্টাচার্য বলেন, “দেখবেন আজ রাতেই ফোন যাবে দিল্লিতে। যারা বেশি হুঙ্কার ছাড়ছেন, তাঁরাই গভীর রাতে ফোন করছেন।” অর্থাৎ ঘুরিয়ে বিজেপির সঙ্গে ফিরহাদ হাকিমের যোগাযোগের তত্ত্ব সামনে আনলেন বিজেপির মুখপাত্র। সমস্ত বিষয়টা নিয়ে সাধারণ মানুষ কিছুটা বিভ্রান্ত।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *