Spread the love

বেঙ্গল ওয়াচ নিউজ ডেস্ক: ফের নজির বিহীন ঘটনা সন্দেশখালিতে। মন্ত্রীদের উপস্থিতির মাঝেই তৃণমূল কংগ্রেস নেতা অজিত মাইতিকে ধাওয়া গ্রামবাসীদের। পালিয়ে সিভিক ভলেন্টিয়ারের বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছেন তিনি। গ্রামের মহিলারা গোটা বাড়ি ঘিরে ফেলেছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে পুলিশ-ব়্যাফ।

 

গ্রামবাসীরা অজিত মাইতিকে েরয়াত করতে নারাজ। এদিকে সিভিক ভলেন্টিয়ারের ঘরে নিজেকে আটকে এক প্রকার আত্মরক্ষা করেছেন। গতকাল অজিত মাইতিকে সভাপতি করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। তারপরেই যেন ক্ষোভের আগুন দ্বিগুণ আকার নিয়েছে। অজিত মাইতি পাল্টা অভিযোগ করেছেন শাহজাহান শেখ এবং সিরাজ তাঁকে মারধর করে তৃণমূল কংগ্রেসে নিয়ে আসে। ২০১৯ সালে তিনি তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দেন বলে জানিয়েছেন।

বিক্ষোভের মুখে দাঁড়িয়ে অজিত মাইতি বলেছেন, তিনি এখন বুঝতে পারছেন বড় ভুল করে ফেলেছেন। শাহজাহান শেখরা যে দুর্নীতি করে চলেছে তা এতোদিন তিনি বুঝতে পারেননি। এভাবে যে জমি দখল করে ফেলছে শাহজাহান শেখরা সেটা তিনি জানতেন না। এখন তিনি অঞ্চল সভাপতি পদ থেকে ইস্তফা দেওয়ার ইচ্ছে প্রকাশ করেছেন। কারণ পদে থাকলে গ্রামবাসীরা তাঁকে ভুল বুঝবেন বলে জানিয়েছেন তিনি।

তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন আজই তিনি পদ থেকে ইস্তফা দেবেন। সিরাজকে সরিয়ে কয়েকদিন আগেই অজিত মাইতিকে অঞ্চল সভাপতি করা হয়। কিন্তু গ্রামবাসীরা অভিযোগ করেছেন শাহজাহান শেখের সঙ্গে সব অনৈতিক কাজে যুক্ত ছিলেন অজিত মাইতিয। গ্রামবাসীদের বিক্ষোভের মুখে এক প্রকার ঘরে সিঁধিয়েছেন সন্দেশখালির দাপুটে তৃণমূল কংগ্রেস নেতা।
এদিকে অজিত মাইতি যেখানে পদত্যাগ করার কথা বলছেন সেখানে মন্ত্রী পার্থ ভৌমিক বলেছেন অজিত মাইতি এখন আর অঞ্চল সভাপতি নেই। দায় ঝেড়ে ফেলল তৃণমূল কংগ্রেস। পার্থ ভৌমিকের মন্তব্য জানার পর অজিত মাইতি বলেছেন দল যদি সিদ্ধান্ত নেন তাহলে তাঁর আর ইস্তফা দেওয়ার প্রশ্নই নেই। তিনি দলের সিদ্ধান্তে খুশি। এদিকে যাঁর বাড়িতে অজিত মাইতি নিজেকে আটকে রেখেছেন। তিনি ঘরে ঢুকতে পারছেন না। এদিকে তিনি বারবার অজিত মাইতিকে বেরোতে বললেও তিনি বেরোতে পারছেন না।

এদিকে অজিত মাইতির দায় ঝেড়ে ফেলেছে তৃণমূল কংগ্রেস। সন্দেশখালির আরেক জায়গায় সভা করতে গিয়ে মন্ত্রী পার্থ ভৌমিক বলেছেন, অজিত মাইতিকে তাঁরা পদ থেকে আগেই সরিয়ে দিয়েছেন। এক কথায় অজিত মাইতির দায় ঝেড়ে ফেলেছে তৃণমূল কংগ্রেস। অন্যদিকে অজিত মাইতিকে উদ্ধারে বসিরহাটের পুলিশ সুপােরর নেতৃত্বে বিশাল পুলিশবাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে। তাঁরা গ্রামের মহিলাদের আস্বস্ত করার চেষ্টা করছেন। কিন্তু কিছুতেই তাঁদের আস্বস্ত করতে পারছেন না।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *