Spread the love

বেঙ্গল ওয়াচ নিউজ ডেস্ক: সামনেই লোকসভা নির্বাচন (Lok Sabha Election 2024)। আর সেই নির্বাচনের মুখে বাংলার রাজনীতিতে নয়া মোড়। ডামাডোল শাসকদল তৃণমূলে। ভোটের মুখে তৃণমূল ছাড়লেন তাপস রায়। সোমবার বিধানসভায় গিয়ে বরাহনগরের বিধায়ক পদ থেকেও ইস্তফা দিয়েছেন তিনি।

 

আর এরপরেই দলের বিরুদ্ধে ক্ষোভ-অভিমান উগরে দিয়েছেন প্রাক্তন এই তৃণমূল নেতা (TMC MLA Tapas Roy resign) । এমনকি ইডির হানার পরেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পাশে দাঁড়ায়নি বলেও তোপ। যা রীতিমত চাপে ফেলে দিয়েছে শাসকদল তৃণমূলকে। যা খবর, বিজেপিতে যেতে পারেন তাপস রায় (TMC MLA Tapas Roy resign)।

উত্তর কলকাতা থেকে সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে তিনি প্রার্থী হতে পারেন বলে জোর জল্পনা। রাগ ভঞ্জনে সোমবার সকালেই প্রাক্তন বিধায়কের বাড়িতে ছুটে গিয়েছিলেন কুণাল ঘোষ এবং ব্রাত্য বসু। দীর্ঘ বৈঠক হয়। কিন্তু কোনও কাজ হয়নি। যদিও পরে যদিও অন্য কোনও দলে এখনই যাতে তাপস রায় না যান সেই আবেদন রেখেছেন কুণাল ঘোষ।

বলেন, তাড়াহুড়ো করে অন্য দলে যাওয়া ঠিক হবে না। কিছুদিন রাজনৈতিক বিশ্রামের কথাও বলেন কুনাল। এই অবস্থায় তাপস রায়ের মানভঞ্জনে নামলেন তৃণমূলের ভোট কৌসুলি প্রশান্ত কিশোর (Prashant Kishore)। আগামী লোকসভা নির্বাচন পর্যন্ত প্রশান্ত কিশোরের সংস্থা আইপ্যাকের সঙ্গে চুক্তি রয়েছে তৃণমূলের। সেই মতো কাজও শুরু করে দিয়েছে এই সংস্থা।
যদিও সেভাবে বাংলায় প্রশান্ত কিশোরকে দেখা যায় না। কিন্ত্য এরপরেই তাপস রায়কে প্রশান্ত কিশোর ফোন করেছেন বলে খবর। সোমবার সকাল থেকে ব্যস্ত ছিলেন তাপস রায়। প্রথমে নেতৃত্বের সঙ্গে আলোচনা, এরপর বিধানসভায় গিয়েছেন। দফায় দফায় সাংবাদিক বৈঠক করেছেন। ফলে প্রথমে পিকে’র ফোন ধরতে পারেননি বর্ষীয়ান এই রাজনীতিবিদ।

পরে ফের একবার প্রশান্ত কিশোর তাঁকে ফোন করেন। এবং দুজনের মধ্যে দীর্ঘক্ষণ কথা হয় বলে জানা গিয়েছে। তবে দীর্ঘ আলোচনা কি হয়েছে তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে সূত্রের খবর, কয়েকদিন বিশ্রামে কথা তাপস রায়কে জানিয়েছেন প্রশান্ত কিশোর। এখনই অন্য দলে তিনি যাতে না যান সেই আবেদনও পিকে রেখেছেন বলে জানা গিয়েছে।

তবে এই বিষয়ে তাপস রায় (TMC MLA Tapas Roy resign) কোনও মন্তব্য করেননি এখনও পর্যন্ত। অন্যদিকে তাপস রায়ের তৃণমূল ছাড়ার সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারীরা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *