শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু আবারও প্রমান করলেন, ইচ্ছে থাকলে অনেক কিছু করা যায় :——-

বেঙ্গল ওয়াচ ডেক্স :এই প্রতিবেদনটি কারো অনুরোধ বা উপরোধে নয়, একান্তই শুভবুদ্ধি সম্পন্ন সুশিক্ষিত প্রগতিশীল সমাজের অনুভূতি !!

এই সম্মানীয় অধ্যাপক ব্রাত্য বসু 2011 সাল থেকে যদি শিক্ষা মন্ত্রী হিসেবে থেকে যেতেন তাহলে বোধহয় শিক্ষা দপ্তরকে এত কোর্ট কেস বা বিভিন্ন ঝামেলা বিতর্কে জড়িয়ে পড়তে হতো না !! দীর্ঘদিন শিক্ষক নিয়োগ বন্ধ হয়ে পড়ে থাকতো না !! এই মানুষটি একজন সৃষ্টিশীল মানুষ যিনি প্রথম শিক্ষামন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নিয়েই দলনেত্রী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আশীর্বাদ নিয়ে অত্যন্ত সততা, স্বচ্ছতা ও দক্ষতার সাথে শিক্ষকদের প্রথম মাস পয়লা বেতন চালু করেন !!
ব্রাত্য বসু প্রথম e-pension এর মাধ্যমে অবসরপ্রাপ্ত সর্বস্তরের শিক্ষক শিক্ষিকা ও শিক্ষাকর্মীদের সুষ্ঠু ভাবে সুন্দর পেনশন ব্যাবস্থা চালু করেন !!
উনিই প্রথম অনলাইনের মাধ্যমে কলেজে কলেজে ভর্তির সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ সুন্দর ব্যাবস্থা করেন !!

উনিই প্রথম ই-টেন্ডারের মাধ্যমে বিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নয়ন ব্যাবস্থা চালু করেন !! উনি বুঝে ছিলেন, যে স্কুল কমিটির মাধ্যমে উন্নয়নের টাকা খরচ করলে, খরচের সম্পূর্ণ টাকা পয়সা বিদ্যালয়ের উন্নয়নে খরচ হবে না কারো কারো পকেটে এ উন্নয়নের টাকা ঢুকে যাবে তাই তিনি ই-টেন্ডারের মাধ্যমে সরকারি এজেন্সি সাহায্যে বিদ্যালয়ের যাবতীয় Development সহ বিল্ডিং তৈরি থেকে শুরু করে উন্নয়ন মূলক সমস্ত কাজ উনি চালু করেন !!

উনিই প্রথম উনার মন্ত্রীত্ব কালে প্রথম স্কুল সার্ভিস কমিশনের তৎকালীন চেয়ারম্যান চিত্তরঞ্জন মন্ডল মহাশয়ের মাধ্যমে দূর্নীতি মুক্ত অনেক অনেক (72,000) শিক্ষক শিক্ষিকা নিয়োগ করেন, যা এক বিরল ইতিহাস !! পশ্চিমবঙ্গ স্কুল সার্ভিস কমিশনের ইতিহাসে এক নজির বিহীন ঘটনা !!

পরবর্তীতে পুনরায় উনাকে শিক্ষা মন্ত্রী হিসেবে পেয়ে বাংলার তামাম সুশিক্ষিত প্রগতিশীল সমাজ যেন এক ভগবান পেয়েছেন বলে মনে করেন !! কারণ, প্রমাণ হিসেবে শিক্ষামন্ত্রীর দায়িত্ব নিয়েই প্রথমেই উৎশ্রী পোর্টালের মাধ্যমে মাধ্যমে সুষ্ঠু-ভাবে বদলি নীতি চালু করেন, যা এক অনবদ্য সৃষ্টি !!
যে বদলি নিয়ে শিক্ষক সমাজের মধ্যে একটা প্রচলিত ধারণা জন্মে ছিল যে বদলি পেতে গেলে, হয় টাকা পয়সা ঘুষ দিতে হবে, নয় নেতা-মন্ত্রী ধরতে হবে, নতুবা কাউকে না কাউকে তৈল মর্দন করতে হবে ??
এখন আর কোনো শিক্ষক শিক্ষিকাদের বাড়ির কাছে বদলির জন্য ছোটাছুটি করে জুতোর শুকতলা ক্ষয় করতে হচ্ছে না !!একজন শিক্ষক শিক্ষিকা বা শিক্ষকর্মী যে কারো তোষামোদি না করে কাউকে টাকা পয়সা ঘুষ না দিয়েই 12 ঘণ্টার মধ্যে জেলা ট্রানস্ফার বা নিজে মন পছন্দ মত স্কুলে বদলি পেয়ে যাচ্ছেন এর থেকে আর কি সততার নজির হয় ??
উনিই প্রথম উৎশ্রী পোর্টাল, সহ বিভিন্ন পোর্টাল ব্যাবস্থা চালুর মাধ্যমে উনার সৃষ্টিশীলতার বার বার প্রমাণ দিয়েছেন !! উনি বারবার উনার সততা ও কাজ করার সদিচ্ছার প্রমান দিয়ে চলেছেন !!

উনিই প্রথম কোনো কর্মচারীকে শাস্তি না দিয়ে বাম জামানার শিক্ষা দপ্তরের প্রতিষ্ঠিত সীমাহীন দুর্নীতির ঘুঘুর বাসা ভাঙতে শুরু করেন !!
উনি বুঝে ছিলেন শিক্ষা দফতরের দুর্নীতির ঘুঘুর বাসা গুলি কোথায় কোথায় রয়েছে !! শিক্ষা দপ্তরের রন্ধ্রে রন্ধ্রে যে ঘুঘুর বাসা গুলো ছিল, সেগুলোকে তিনি বিভিন্ন পোটাল ব্যবস্থা চালু করে দূর্নীতি বন্ধ করেন এবং শিক্ষা ব্যাবস্থার যাবতীয় সরলীকরণ করেন !! যা ভারতবর্ষ তথা গোটা বিশ্বের কাছে এক নজির বিহীন ঘটনা ও সমাদৃত !!

উনার মত একজন সৃষ্টিশীল ক্রিয়েটিভ মন্ত্রীর কাছে আমাদের মত বাংলার সুশিক্ষিত প্রগতিশীল সর্বস্তরের অসংখ্য শিক্ষক সমাজ ব্রাত্য বসুর কাছে কৃতজ্ঞ !! আজ স্কুলে স্কুলে স্টাফ টেবিলে শিক্ষক শিক্ষিকারা শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুকে নিয়ে গর্ববোধ করে !! উনি যে, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে এক আশার প্রতীক এবং ভগবান স্বরূপ সেটাও ভাবেন !! তাই, আজ বাঙলার সুশিক্ষিত প্রগতিশীল সুশীল সমাজ আমাদের গর্বের শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুর দীর্ঘায়ু সুস্বাস্থ্য কামনা করছে !!
তাই দিকে দিকে ব্যাত্য বসুর নামে জয়ধ্বনি উঠছে !!

তিনি এবারো সেই লড়াই শুরু করেছেন প্রমান দিলেন প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের দক্ষ চেয়ারম্যান গৌতম পাল মহাশয়ের মাধ্যমে টেট পরীক্ষা সম্পন্ন করে ফল প্রকাশ করার মাধ্যমে !!
গ্রাম বাংলার সুশিক্ষিত বেকার যুবক যুবতী ভাই বোনেরা ভীষণ আশাবাদী, চরম সততা ও নিরপেক্ষ ভাবে প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগ হবেই হবে !!
শুধু তাইই নয়, তিনি অত্যন্ত দৃঢ়তার সঙ্গে ঘোষণা করেছেন প্রতি বছর যাতে স্কুল সার্ভিস কমিশন ও প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের নিরপেক্ষ পরীক্ষার মাধ্যমে শিক্ষক শিক্ষিকা নিয়োগ যাতে হয় তার জন্য সচেষ্ট হবেন !!
সেই জন্যই বোধহয়, উনার অবর্তমানে শিক্ষা দফতরে যেখানে যেখানে দুর্নীতির বাসা বেঁধেছে সেসব দূর করতে মহামান্য কলিকাতা হাইকোর্টের সঙ্গে পুরোপুরি সহযোগীতা করে ভুয়ো চাকরি বাতিল করার পথে হেঁটে চলেছেন !!

যার জন্য দরকার হয় “বুকের পাটা”, সেটা সম্মানীয় অধ্যাপক শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুর আছে বলেই বিশ্বাস করে তামাম বাংলার সুশিক্ষিত প্রগতিশীল সমাজ !!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *